Goodman Travels

পাবনার ঈশ্বরদীতে দুই মাথা, চার পা ও চার হাতবিশিষ্ট সন্তান প্রসব

দুই মাথা, চার পা ও চার হাতবিশিষ্ট সন্তান প্রসব পাবনার ঈশ্বরদীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে আছিয়া বেগম নামের এক গৃহবধূ দুই মাথা, চার পা ও চার হাতবিশিষ্ট একটি ছেলে সন্তান প্রসব করেছেন। শনিবার (৪ ডিসেম্বর) দুপুরে ঈশ্বরদীর আলো জেনারেল হাসপাতালে এ ঘটনা ঘটে।

প্রসবের পর সন্তানটি মারা গেলেও মা সম্পূর্ণ সুস্থ রয়েছেন। গৃহবধূ আছিয়া নাটোর জেলার লালপুর উপজেলার রাখশা গ্রামের রবিউল ইসলামের স্ত্রী। এটি তার তৃতীয় সন্তান প্রসবের ঘটনা। ঈশ্বরদী শহরের আলো জেনারেল হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, শনিবার সকালে প্রসববেদনা নিয়ে প্রসূতি আছিয়া বেগম নাটোর থেকে এসে পরিবার এই হাসপাতালে ভর্তি করে।

ভর্তির পর দুপুরের দিকে সিজারিয়ান অপারেশন ছাড়াই বাচ্চা প্রসব হলে দুই মাথা, চার পা, চার হাতবিশিষ্ট এক পুত্রসন্তান জন্মলাভ করে। প্রসবের পরপরই সন্তান মারা গেলেও প্রসূতি সম্পূর্ণ সুস্থ রয়েছেন। প্রসূতির স্বামী রবিউল ইসলাম বলেন, স্ত্রীর প্রসববেদনা শুরু হলে ঈশ্বরদী শহরের এই হাসপাতালে নিয়ে আসি। নরমাল ডেলিভারির পরে সন্তানটি মৃত অবস্থা দেখতে পাই। তিনি আরও বলেন, অনেক আশা-আকাঙ্ক্ষা নিয়ে আছি যে তৃতীয় সন্তানের বাবা হব।

কিন্তু ভাগ্যের কী নির্মম পরিহাস, সন্তান হলো দুই মাথা, চার পা ও চার হাতের। জন্মের পরই সে মারা গেল। ঈশ্বরদী উপজেলা স্বাস্থকমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. শফিকুল ইসলাম শামীম প্রসূতি মা সম্পূর্ণ সুস্থ থাকলেও সন্তানটি মারা গেছে। সিজার না করেই নরমালে সন্তান প্রসব করানো হয়েছে। মেডিকেল সার্টিফিকেট অনুযায়ী আরও ১ মাস ২১ দিন ডেলিভারি হওয়ার সময় রয়েছে। এর আগেই সন্তান প্রসব হয়েছে।

সন্তানটিকে মৃত অবস্থায় সফলভাবে প্রসব করানো সম্ভব হওয়ায় গৃহবধূ আছিয়া বেগমকে বাঁচানো সম্ভব হয়েছে বলে জানান তিনি। ঈশ্বরদী আলো জেনারেল হাসপাতালের পরিচালক মাসুদা আনজুম ডানা , শিশুটি অস্বাভাবিক হলেও মানুষের মতোই। চেহারা ফুটফুটে ছিল। তবে ব্যতিক্রম হলো তার দুটি মাথা, চারটি হাত, চারটি পা, একটি পায়ুপথ ও একটি পুরুষাঙ্গ রয়েছে। নরমাল ডেলিভারির পরপরই সন্তানটি মারা যায়।