Goodman Travels

একদিনে করোনা শনাক্তের সব রেকর্ড ভাঙল যুক্তরাষ্ট্র

অনলাইন রিপোর্ট : মহামারি করোনা ভাইরাসে প্রথম ঢেউয়ে বিপর্যস্ত দেশ হিসাবে প্রথমে ছিল যুক্তরাষ্ট্র। করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়েও একই অবস্থা দেশটিতে। গত ২৪ ঘন্টায় দেশটিতে করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছে ২ লাখ ১৮ হাজারেরও বেশি মানুষ, যা এখন পর্যন্ত সর্বোচ্চ।

শুক্রবার (৪ ডিসেম্বর) করোনাভাইরাসে আক্রান্তদের সংখ্যা ও প্রাণহানির পরিসংখ্যান রাখা ওয়েবসাইট ওয়ার্ল্ডওমিটার বলছে গত ২৪ ঘণ্টায় যুক্তরাষ্ট্রে করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছে ২ লাখ ১৮ হাজার ৫৭৬ জন। যা একদিন আক্রান্তের আগের সব রেকর্ডকে ভেঙ্গে দিয়েছে। এ নিয়ে দেশটির মোট আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়াল ১ কোটি ৪৫ লাখ ৩৫ হাজার ১৯৪ জন।

এদিকে দেশটিতে মহামারির প্রথম ঢেউয়ের তুলনায় দ্বিতীয় ঢেউয়ে মৃতের সংখ্যা বেড়েছে। এতে দেশটির পরিস্থিতির চরম অবনতি হয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় দেশটিতে প্রাণ হারিয়েছেন ২ হাজার ৯১৮ জন। এ নিয়ে দেশটির মোট মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়ালো ২ লাখ ৮২ হাজার ৮২৯ জন।

জর্জ ওয়াশিংটন বিশ্ববিদ্যালয়ের মেডিসিন অধ্যাপক ড. জনাথান রীনার আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেছেন, আগামী ৮ ডিসেম্বর থেকে যুক্তরাষ্ট্রে প্রতিদিন ৪ হাজারেরও বেশি মানুষের মৃত্যু হতে পারে।

এদিকে বিশ্বজুড়ে এ ভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা ছাড়িয়েছে ৬ কোটি ৫৫ লাখ। আর এ মহামারিতে আক্রান্ত হয়ে বিশ্বে মৃতের সংখ্যা ছাড়িয়েছে ১৫ লাখ ১১ হাজার। এর মধ্যে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ৪ কোটি ৫৩ লাখ ৭৪ হাজার ৪২৭ জন।

করোনা আক্রান্তের সংখ্যায় দ্বিতীয় এবং মৃতের সংখ্যায় তৃতীয় অবস্থানে আছে ভারত। দেশটিতে এখন পর্যন্ত আক্রান্ত হয়েছেন ৯৫ লাখ ৭১ হাজার ৭৮০ জন। এখন পর্যন্ত দেশটিতে করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন এক লাখ ৩৯ হাজার ২২৭ জন।

করোনা আক্রান্তের সংখ্যায় তৃতীয় এবং মৃতের সংখ্যায় দ্বিতীয় অবস্থানে আছে ব্রাজিল। দেশটিতে এখন পর্যন্ত এ ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন ৬৪ লাখ ৮৭ হাজার ৫১৬ জন। এখন পর্যন্ত দেশটিতে করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন এক লাখ ৭৫ হাজার ৩০৭ জন।

সুস্থতার দিক থেকে প্রথম অবস্থানে আছে ভারত (৯০ লাখ ১৫ হাজার ৬৮৪ জন), দ্বিতীয় অবস্থানে আছে যুক্তরাষ্ট্র (৮৫ লাখ ৬১ হাজার ৪২৭ জন) এবং তৃতীয় অবস্থানে আছে ব্রাজিল (৫৭ লাখ ২৫ হাজার ১০ জন)।

গত বছরের ডিসেম্বরের শেষ দিকে চীনের হুবেই প্রদেশের উহান থেকে করোনাভাইরাস সংক্রমণ শুরু হয়। এখন পর্যন্ত বাংলাদেশসহ বিশ্বের ২১৮টি দেশ ও অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়েছে কোভিড-১৯।